Bhajagouranga Kathaa

ভজগৌরাঙ্গ কথা

 

== এই ব্লগে প্রদর্শিত অপরের রচনাংশ, স্থিরচিত্র বা অলংকরণের কপিরাইট আমাদের নয় । == 

পোস্টের বক্তব্য স্পষ্টতর করতে এগুলি সাজানো হচ্ছে । কোনও ব্যবসায়িক স্বার্থে নয় । 


'Tenida Treasury' Blog.



‘চার মূর্ত্তি’, ‘চার মূর্তির অভিযান’, ‘ঝাউ-বাংলোর রহস্য’ ।
এইসব উপন্যাসে অতি-সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি সত্ত্বেও মনে আঁচড় কেটে যান প্যালারাম-এর মেজদা ১ ।
বর্তমান গল্পেও রয়েছেন সেই বদমেজাজি ডাক্তার ।

চার বন্ধুর আত্মীয়স্বজন সম্পর্কে আরও তথ্য ছিটানো আছে ‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’-য় । 
প্যালা-র ছোট পিসিমা থাকেন লিলুয়া-য় ২ ।
বর্ধমান-এ হাবুল সেন-এর মামা ৩ । 
টেনিদা-র ছোট কাকা সরকারি কাজ করেন । 

১৮ নং পটলডাঙা স্ট্রিট ।
স্বয়ং ভজহরি মুখোপাধ্যায়-এর বাড়ি ।
‘ভজহরি ফিলম কর্পোরেশন’-এ প্রথম সেখানে প্রবেশ করেন পাঠক । প্যালা-র হাত ধরে । 
ভজহরি বনাম ভজগৌরাঙ্গ-র এই কাহিনিতে দ্বিতীয় বার ।
পরে আবার ‘টেনিদা আর সিন্ধুঘোটক’ বড়গল্পে । 

১৩৬৮ সনের জোড়া গল্প ‘বেয়ারিং ছাঁট’ ও ‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’ ।
রয়েছেন নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়-সৃষ্ট অবিস্মরণীয় দুই কৃপণ : ভুলোদা এবং ভজগৌরাঙ্গ সমাদ্দার । ৪ 

পরে ‘সন্দেশ’-এ ‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’ কমিকস (১৪১৬) এঁকেছিলেন শিল্পী হর্ষমোহন চট্টরাজ । 


প্রথম প্রকাশ : 
‘শারদীয়া’, দেব সাহিত্য কুটীর, মহালয়া ১৩৬৮ 

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়-এর যে-সব ছোটদের গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে (নির্বাচিত তালিকা) : 
১) ‘টেনিদার গল্প’, অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির, জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৫ । 

চার মূর্তি-র কোন্ কোন্ চরিত্র গল্পে উপস্থিত : 
টেনিদা, প্যালা । 


‘শারদীয়া’ (দেব সাহিত্য কুটীর বার্ষিকী)-র প্রচ্ছদ :

'Tenida Treasury' Blog.
শিল্পী ।। প্রতুল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ।














প্রথম প্রকাশিত হেডপীস ও অলংকরণ :

'Tenida Treasury' Blog.

‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’, ‘শারদীয়া’, দেব সাহিত্য কুটীর, ১৩৬৮ ।
শিল্পী ।। প্রতুল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ।

















'Tenida Treasury' Blog.

‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’, ‘শারদীয়া’, দেব সাহিত্য কুটীর, ১৩৬৮ ।
শিল্পী ।। প্রতুল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ।


























___________________________________________________________________________________ 

১ = প্রথম আবির্ভাব সম্ভবত ‘একটি ফুটবল ম্যাচ’-এ । 

২ = ‘চার মূর্ত্তি’ অনুযায়ী রাঙা-পিসিমা । 

৩ = ‘চার মূর্ত্তি’ অনুসারে বড় মামা । পুলিসের ডি. এস. পি. ।
‘একাদশীর রাঁচি যাত্রা’-তেও হাবুল নেই, কারণ সে গরমের ছুটিতে গেছে মামাবাড়ি । 
হাবুল সেন-এর মাসিমা-মেসোমশাইও থাকেন বর্ধমান-এ (‘তালিয়াৎ’) । 

৪ = ‘টেনিদা সমগ্র’ (আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, ১৯৯৬) গ্রন্থের প্রথম সংস্করণে অনুপস্থিত ছিল ‘ভজগৌরাঙ্গ কথা’ । 
পরে সংযোজিত হয় । 
___________________________________________________________________________________
 

No comments: